পৃথিবী ধীরে ধীরে উষ্ণ হতে শুরু করেছে। বড় বড় গ্লেসিয়ারগুলো গলতে শুরু করেছে মাত্র। তখনও জলভাগ এতটা অতল হয়ে ওঠেনি। সমুদ্রপৃষ্ঠ ছিল আজকের দিনের চেয়ে ১৫০ ফুট নিচে। সাগরে নিমজ্জিত অনেক জায়গা তখনও স্থলভাগ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্রে জায়গা দখল করে ছিল। তেমনি এক স্থলভাগ “বেরিং সেতু” । এটি ছিল এশিয়ার পূর্বভাগ (বর্তমান সাইবেরিয়া) ও উত্তর আমেরিকার পশ্চিমভাগ (বর্তমান আলাস্কা) এর মধ্যবর্তী সংকীর্ণ ভূ-খন্ড যা দুই মহাদেশকে এক রেখেছিল।
.
তো সেই বেরিং সেতু দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিল একটা অভিযাত্রিক দল। ধারণা করা হয় ২৩ হাজার বছর (মতান্তরে ৪০ হাজার বছর) আগে এই অভিযাত্রী দলই প্রথম পা রাখে উত্তর আমেরিকার মাটিতে। তারাই সর্বপ্রথম মানববসতি গড়ে তোলে এই এলাকায়। পরবর্তীতে এখানেই উত্থান হয়েছে বেশ কিছু সমৃদ্ধ সভ্যতার যেমন- মায়া, অ্যাসটেক ইত্যাদি।
তারপর অনেক যুগ অতিবাহিত হয়েছে। কালে কালে সেদিনের বেরিং সেতুও তলিয়ে গেছে। সমুদ্র নিমজ্জিত জায়গাটাকে আমরা এখন বেরিং প্রণালী নামে জানি। এই প্রণালীই এশিয়া মহাদেশকে সমগ্র আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে।
বর্তমান সময়ে উত্তর আমেরিকা আবিষ্কার
বেরিং সেতু বিলুপ্ত হয়ে গেলে কার্যত পৃথিবীর বাকি অংশের সাথে উত্তর আমেরিকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। অনেক কাল পর্যন্ত আমাদের এই এলাকার মানুষজন ভুলে ছিল আমেরিকার কথা। এই দীর্ঘসময়ে আমরা সমগ্র আমেরিকা মহাদেশের অস্তিত্ব আছে জানতাম না।
নতুন করে উত্তর আমেরিকা সম্পর্কে তথ্য আসতে থাকে দশম শতাব্দীর দিক থেকে। সাধারণত আমরা জানি আধুনিক সময়ে আমেরিকাকে প্রথম ইউরোপের কাছে পরিচিত করিয়ে দেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস। স্পেনের রাণী ইসাবেলার অনুদানে তিনি ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেও ১৪৯২ সালের ১২ অক্টোবর তিনি উত্তর আমেরিকার ক্যারিবিয়ান কোন দ্বীপে জাহাজ নোঙর করেন। কলম্বাস ঠিক কোথায় প্রথম নেমেছিলেন তা নিয়ে বিতর্ক আছে। ১০টি স্থানের বাসিন্দারা দাবি করেন তাদের এলাকায় কলম্বাস প্রথম পা রাখেন। তবে এ বিষয়ে সবাই একমত, প্রথম অভিযানে তিনি মূল ভূখন্ডে নোঙর করেছিলেন না।
কিন্তু গবেষক, ইতিহাসবিদ ও ভূগোলবিদদের ধারণা উত্তর আমেরিকার প্রথম আবিষ্কারক বা প্রথম ইউরোপীয়ান কলম্বাস নন।
জানা যায়, এই জামানায় প্রথম আমেরিকা দৃষ্টিগোচর হয় ভাইকিংদের। বিখ্যাত ভাইকিং এরিক দ্য রেড নির্বাসিত হবার পর পশ্চিমে যাত্রা করেন। তিনিই প্রথম খুঁজে পান গ্রিনল্যান্ড; সেটা ছিল আনুমানিক ৯৮২ খ্রিস্টাব্দ। বলে রাখি গ্রিনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্গত। পরবর্তীতে এরিকের ছেলে লেইফ এরিকসন আরও দক্ষিণে যাত্রা করে উত্তর আমেরিকার নোভা স্কটিয়া ও ভিনল্যান্ড খুঁজে পান।
নামকরণ
নতুন ভূখন্ডের আবিষ্কারক হিসাবে ক্রিস্টোফার কলম্বাসের নাম উচ্চারিত হলেও মহাদেশের নামকরণে তার নাম বেছে নেয়া হয়নি। নামকরণ করা হয়েছে তার পরবর্তী আরেক অভিযাত্রীর নামে। তিনি হলেন ইতালিয়ান অভিযাত্রী আমেরিগো ভেসপুচি। তিনি কলম্বাসের পর দ্বিতীয় অভিযাত্রিক হিসেবে আমেরিকায় সফল অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম হন। মজার ব্যাপার হলো, তিনিও কলম্বাসের মতোন স্পেনের রাজা-রাণীর অর্থানুকূল্যে এই অভিযান পরিচালনা করেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কলম্বাসের পরে অভিযানে গিয়েও তার নামই কেন এত বড় ভূখন্ডের নামকরণের জন্য বেছে নেয়া হলো, কি এমন করেছিলেন তিনি?
আমরা আগেই জেনেছি কলম্বাস মূলত ভারতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছিলেন। কিন্তু সে এসে পৌঁছান ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে। পরবর্তী অভিযানে তিনি আমেরিকার মেইন ল্যান্ডও খুঁজে পান এবং সেইসব এলাকায় কয়েকবার অভিযার পরিচালনা করেন। কিন্তু কলম্বাস ঘুণাক্ষরেও টের পান নি তিনি নতুন একটা মহাদেশ আবিষ্কার করে ফেলেছেন। শুরু থেকে পুরো সময় তিনি ভেবে এসেছেন তারা ভারতবর্ষের কোন অংশে অবস্থান করেছেন।
আর এই অঞ্চল যে ভারতবর্ষ নয় এটা প্রথম বুঝতে পারেন আমেরিগো ভেসপুচি। এখানেই আমেরিগোর কৃতিত্ব। অবশ্য প্রথম অভিযানে তিনিও বুঝতে পারেন নি এটি নতুন কোন ভূমি, তিনিও এটাকে ভারতবর্ষের এক অনাবিষ্কৃত অংশ হিসাবে ধরে নিয়েছিলেন। এমনকি আগ বাড়িয়ে এক উপসাগরের নাম তিনি “গঙ্গা উপসাগর” দিয়ে বসেন। আমেরিগোর এই ভুল ভাঙে তার দ্বিতীয় অভিযানে। তিনি এবার অবাক হয়ে লক্ষ্য করলেন আকাশের তারকার অবস্থান ভারতবর্ষের চেয়ে আলাদা। তার সন্দেহ প্রমাণের জন্য তিনি ৪০০ মাইল দক্ষিণে ভ্রমণ করে নতুন এক দ্বীপ আবিষ্কার করেন যা ছিল মানচিত্রের হিসেবের পরিপন্থী। এভাবে সে প্রথম নিশ্চিত হন এটি ভারত নয়, সম্পূর্ণ নতুন ভূখন্ড।
এই কৃতিত্বের জন্য জার্মান মানচিত্রবিদ মার্টিন ওয়াল্ডসিমুলার ১৫০৭ সালে তার প্রণীত পৃথিবীর মানচিত্রে বর্তমান দক্ষিণ আমেরিকা অংশকে আমেরিকা নাম দ্যা আমেরিকাস দেন। পৃথিবীর অন্য সব মহাদেশের নাম স্ত্রীবাচক হওয়ায় “আমেরিগো”র স্ত্রীবাচক শব্দ ‘আমেরিকা’ দেয়া হয়। পরে ১৫৩৮ সালে জেরার্ড মার্কেটো তার মানচিত্রে পশ্চিম গোলার্ধের পুরো মহাদেশটিকেই আমেরিকা হিসাবে অভিহিত করেন।
উত্তর আমেরিকায় ইউরোপীয় আগ্রাসন
১৫দশ শতাব্দী থেকে ১৭শ শতাব্দী পর্যন্ত সময়কালকে বলা হয় Age of Discovery এবং Age of Exploration. এসময় ইউরোপীয় অনুসন্ধিৎসু নাবিকেরা ম্যাপ আর জাহাজ নিয়ে অকূল সাগরে নেমে পড়তেন দিগ্বিজয়ের আশায়। চোখে তাদের নতুন পথ, নতুন দেশ আবিষ্কারের মোহ। কিন্তু এ মোহ কিংবা স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য যে বিপুল অর্থ প্রয়োজন সেটা নিজে নিজে বহন করা ছিল কল্পনাতীত। এসময় এগিয়ে আসতেন শাসক শ্রেণির কেউ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইউরোপীয় রাজ্যের রাজকোষাগার থেকে তাদের অর্থায়ন করা হতো। কিন্তু কথা হলো কিসের বিনিময়ে এই সাহায্য? হাজী মুহম্মদ মুহসীনের মতো নিশ্চয়ই দান করতে না তারা। উত্তর হলো লাভের আশায়।
.
নাবিকদের অর্থায়ন ছিল এক ধরণের বিনিয়োগ। তাদের শর্ত দেয়া হতো ফিরে আসার সময় কেবল মানচিত্রে নতুন দেশ আনলে হবে না, সেখান থেকে মূল্যবান সম্পদও নিয়ে আসতে হবে। তার একটা অংশ পাবে অভিযাত্রী দল বাকিটা রাষ্ট্র। এই যেমন ধরুন কলম্বাসের কথা, স্পেনের রাজা-রাণীর শর্ত ছিল সেই অভিযান থেকে যা আসবে তার এক-দশমাংশ পাবে কলম্বাস বাকিটা রাজকোষাগারে যাবে। আর এই ধরণের বিনিয়োগ সৃষ্টি করে পৃথিবীর জঘন্যতম কার্যকলাপের। ব্রিটিশ বণিকেরা আসার পর ভারতবর্ষের কি হয়েছিল তা সবারই জানা।
উত্তর আমেরিকা আবিষ্কার স্থানীয় আধিবাসীদের কেবল ইউরোপীয়দের সাথে পরিচয়ই করে দেয় নি, তাদের জন্য ডেকে এনেছে নরক-যন্ত্রণা। বস্তুত কলম্বাস আমেরিকা যাবার পথ আবিষ্কারের পরই ইউরোপীয়রা দলে দলে অভিযান চালাতে শুরু করে। যখন কলম্বাস পা রাখেন সেখানকার অধিবাসীরা তাদের দেবতা হিসেবে গ্রহন করেছিল কিন্তু ইউরোপের নব্য সভ্যরা স্থানীয়দের মানুষের সম্মানটুকুও দিতে কার্পণ্যবোধ করতো। তাদের চোখ ছিল সেখানকার ঐশ্বর্যের প্রতি। মূল্যবান পাথর, খনিজ, স্বর্ণ, মশলা এসব তারা সংগ্রহ করে। কোন কোন ক্ষেত্রে তারা স্থানীয় নারীদেরও প্রলোভন দেখিয়ে ভোগ্যপণ্যের মতো ব্যবহার করতো। ধীরে ধীরে যখন অধিবাসীরা বুঝতে পারলো দেবতার মতো রূপ নিয়ে শয়তানের দল এসেছে তাদের মাতৃভূমিতে তখনই প্রতিবাদ শুরু হয়। কিন্তু সে প্রতিবাদ জোরালো হতে পারেনি। কারণ দুইটা- প্রথমত, রেড ইন্ডিয়ানরা খন্ড খন্ড গোত্রে বিভক্ত ছিল তারা সম্মিলিতভাবে কোন প্রতিরোধ আনতে পারেনি। দ্বিতীয়ত, ইউরোপীয়দের আধুনিক অস্ত্রের কাছে তারা ছিল ধরাশায়ী। এভাবে যেসকল জায়গায় নেটিভরা ইউরোপীয়দের পথের কাঁটা হয়েছে তাদের একদম কচুকাটা করে নিকেশ করতো। কম রক্ত ঝরেনি আমেরিকার মাটিতে।
আরেকটি কথা না বললেই নয়, আমেরিকান বেশ কিছু সভ্যতা ছিল যারা ছিল বেশ স্বতন্ত্র। তারা সাংস্কৃতিক দিক দিয়েই কেবলমাত্র সমৃদ্ধশালী ছিল না সম্পদের দিক থেকেও ছিল অভাবনীয় বিত্তশালী। তাদের নিজস্ব ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি ছিল। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাাপর স্বর্ণ ছিল তাদের প্রচুর। (এসব নিয়ে প্রচুর কিংবদন্তীও আছে যেমন- স্বর্ণশহর, আটলান্টিস, গুপ্তপাহাড় ইত্যাদি) এইসব সম্পদ হরণের জন্য ইউরোপীয়রা নির্বিচারে একের পর এক সভ্যতা, কৃষ্টি-কালচার ধ্বংস করেছে।
ধীরে ধীরে তারা উপনিবেশ তৈরি করেছে। স্পেন, পর্তুগাল, ব্রিটেন, ফ্রান্স এরা চালিয়েছে অত্যাচার ও শোষণ।
ভৌগলিক অবস্থান :
উত্তর আমেরিকা পৃথিবীর উত্তর ও পশ্চিম গোলার্ধে অবস্থিত একটি মহাদেশ। একে কখনো কখনো আমেরিকার উত্তর উপমহাদেশও ধরা হয়। মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণে ও পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্বে দক্ষিণ আমেরিকা এবং ক্যারিবীয়ান সাগর।
উত্তর আমেরিকার আয়তন ২৪,৭০৯,০০০ বর্গ কি.মি. (৯,৫৪০,০০০ বর্গ মাইল), যা পৃথিবীপৃষ্ঠের প্রায় ৪.৮% এবং স্থলভাগের ১৬.৫%। আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ।
দেশ :
মহাদেশটির মানচিত্রে তাকালে প্রথমেই চোখে পড়বে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো এই তিনটা দেশের ওপর। কিন্তু এই তিনটা দেশই কেবল দেশ না, আরও দেশ আছে। উত্তর আমেরিকার মোট দেশ রয়েছে ২৩ টি।
সমগ্র উত্তর আমেরিকাকে তিনটা অঞ্চলে ভাগ করা হয়- উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ। এদের মধ্যে ক্যারিবীয় অঞ্চলে দেশের সংখ্যা বেশি।
এদের মধ্যে কানাডা সবচেয়ে বৃহ রাষ্ট্র। কানাডা মোটামুটি মহাদেশের অর্ধেক মহাদেশ কাভার করেছে যা কিনা যুক্তরাষ্ট্রের চাইতে কিছু বড় এবং প্রায় চীনের সমান। অপরদিকে সবচেয়ে ক্ষুদ্র দেশ হল সেন্ট কিট্স এন্ড নেভিস। এটি ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র।
উত্তর আমেরিকার কিছুু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত। এটি হলো গ্রিনল্যান্ড। গ্রিনল্যান্ড আলাদা কোন দেশ নয়, এটি ডেনমার্কের মালিকানাধীন একটি ভূখন্ড। ডেনমার্ক যেহেতু ইউরোপীয় দেশ তাই অনেকেই গ্রিনল্যান্ডকে ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্গত ভেবে বিভ্রান্ত হন।
২. মহাদেশটির ভূগর্ভস্থ কেন্দ্র ১-১.৫ বিলিয়ন বছর আগে তৈরি হয়েছিল।
৩. বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্বাদু পানির হ্রদ লেক সুপিরিয়র উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত। এটি কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সীমানায় অবস্থিত।
৪. উত্তর আমেরিকায় কোন ল্যান্ড-লকড দেশ নেই। সকল দেশের সাথেই সমুদ্রের যোগ আছে।
৫. মহাদেশটির সর্বোচ্চ পাহাড় ডেনালি (Denali)। ২০১৫ সালে নাম পরিবর্তনের পূর্বে এটি ম্যাককিনলি পরিচিত ছিল।
৬. উত্তর আমেরিকার সর্বনিম্ন ভূমি ডেথ ভ্যালি। এটি একই সাথে সবচেয়ে শুষ্ক অঞ্চল। এখানে এক কাপ কফির চেয়েও কম বৃষ্টিপাত হয়।
৭. মহাদেশচির সবচেয়ে বড় নদী মিসৌরী।
৮. মেক্সিকো সিটি এই মহাদেশের সবচেয়ে বড় শহর।
৯. সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ মেক্সিকো।
১০. ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ উত্তর আমেরিকার অন্তর্গত। এখানে প্রায় ৭০০০ দ্বীপ রয়েছে। যদিও এদের মধ্যে মাত্র ২% বসবাসের উপযোগী।
১১. মহাদেশটি উত্তরে বেরিং প্রণালী দ্বারা এশিয়া মহাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন এবং দক্ষিণে পানামা খাল দক্ষিণ আমেরিকা থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
তথ্যসূত্র : Wikipedia, World Atlas, History, Roar Media .
লেখক -
ইশতিয়াক হায়দার খান (নাঈম)
২য় ব্যাচ, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগ

Comments
Post a Comment